Home » ২০১৭ » ফেব্রুয়ারি

Monthly Archives: ফেব্রুয়ারি ২০১৭

শিশুর গলা ব্যথায় যা করবেন

sobardr
‘গলাব্যথা’ বা ‘সোর থ্রোট’ শিশুদের অসুখবিসুখের এক সাধারণ উপসর্গ। তবে মৌসুম বদলের এই সময়ে বা শীতের শুরুতে এই সমস্যা বেড়ে যায়। সাধারণত খাদ্যনালির ওপরের অংশ, টনসিল ও তার চারপাশের অংশে প্রদাহের কারণে গলাব্যথা হয়।

পাঁচ থেকে আট বছর বয়সী শিশুরা এ সমস্যায় সাধারণত বেশি ভোগে। বর্ষা শেষে বা শীতকালে গলাব্যথা বাড়তে পারে। ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত সংক্রমণের কারণে প্রদাহ হয়। ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে দায়ী জীবাণু হলো গ্রুপ-এ বিটা হিমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কাস। এটি সংক্রামক। লালা বা শ্লেষ্মার মাধ্যমে ছড়ায়।

ভাইরাসজনিত গলাব্যথায় শিশুর সর্দি-জ্বর, কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়ার মতো অন্যান্য সমস্যাও হতে পারে। আবার ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হলে হঠাৎ করে তীব্র গলাব্যথা, অনেক জ্বর, মাথায় যন্ত্রণা, বমি বা বমির ভাব, পেটব্যথা, গলার পাশে ব্যথাসহ ফুলে যেতে পারে। ব্যাকটেরিয়াজনিত সোর থ্রোটের কারণে টনসিল ও তার চারপাশের অংশ লাল হয়ে যায়। মাঝে মাঝে শরীরে ফুসকুড়ি বা র্যা শ দেখা যায়।

গলাব্যথা সারাতে হলে সঠিক মাত্রায় প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন ওষুধ সেবন করলে স্বস্তি মিলবে। লবণ পানিতে গলা গরগর করতেও ভালো লাগবে। এ সময় শিশুকে যথেষ্ট পানি ও তরল খাবার দিন।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে যথাযথ অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে। শিশুর ঢোক গিলতে বা শ্বাসপ্রশ্বাসে কষ্ট হলে, লালা ঝরলে বা শরীরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা (১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি) ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বজায় থাকলে অনতিবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশের পরামর্শ

sobar doctor

আমাদের দিন শুরু ও শেষ হয় দাঁত ব্রাশ করা দিয়ে। অথচ অনেকেই হয়তো জানেন না দাঁত ব্রাশ করার সঠিক নিয়মকানুন। বিশেষ করে আপনি নিজেই যদি না জেনে থাকেন, তবে বাড়ির শিশুটিকে শেখাতেও পারবেন না। আর সঠিক নিয়মে ব্রাশ না করলে লেগে থাকবে দাঁত ও মুখের নানা সমস্যা। তাই জেনে নিন কীভাবে দাঁত ব্রাশ করা উচিত।

যা করা উচিতঃ

১: প্রথম কথা হচ্ছে টুথব্রাশ বাছাই করা। ভালো মানের টুথব্রাশ ব্যবহার করুন, যার শলাকাগুলো বেশি শক্ত বা বেশি নরম নয়। ছোটদের জন্য ছোট আকারের ব্রাশ দরকার, যা ওদের মুখে সহজে আঁটে।

২: পরিমিত মাত্রায় পেস্ট নিয়ে সকালে নাশতার পরে ও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করুন। সম্ভব হলে ফ্লুরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। শিশুদের জন্য কম ঝাঁজাল টুথপেস্ট বেছে নিন।

৩: ব্রাশের শলাকাগুলো দাঁতের সঙ্গে ৪৫ ডিগ্রি কোনাকুনিভাবে ধরে ওপর পাটির দাঁত ওপর থেকে নিচে এবং নিচের পাটির দাঁত নিচ থেকে ওপরে ব্রাশ করুন।

৪: দাঁতের ভেতরে ও বাইরের অংশে সমান সময় নিয়ে ব্রাশ করুন। তাড়াহুড়া করবেন না। কমপক্ষে দুই মিনিট সময় নিয়ে ব্রাশ করুন।

৫: তিন মাস অন্তর টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। দীর্ঘদিন ব্যবহারে ব্রাশের শলাকাগুলো বাঁকা হয়ে গেলে তা পরিবর্তন করতে হবে।

৬ : দিনে কম পক্ষে দুবার ব্রাশ করার পাশাপাশি অন্য সময় চকলেট কিংবা মিষ্টিজাতীয় আঠালো খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দাঁত ব্রাশ করুন

যা করা উচিত নয়ঃ

৭: অতিরিক্ত দীর্ঘ সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করার প্রয়োজন নেই। বেশি জোরে ও দ্রুত ব্রাশ করা থেকেও বিরত থাকুন। ব্রাশের আঘাতে যেন মুখগহ্বরের ভেতের ঝিল্লির পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

৮:সামনে-পিছে দাঁত ব্রাশ করলে দাঁতের গোড়া ক্ষয়ে যেতে পারে। ওপর-নিচে ব্রাশ করুন।

৯: টকজাতীয় খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দাঁত ব্রাশ করা থেকে বিরত থাকুন।

কীভাবে দাঁত ব্রাশ করবেন?

## ওপরের পাটি

মাড়ির নিচের অংশ পর্যন্ত পরিষ্কার করতে প্রতিটি দাঁতের আশপাশে ব্রাশ পৌঁছে দিন।

### নিচের পাটি

মাড়ির নিচের অংশ পর্যন্ত পরিষ্কার করতে প্রতিটি দাঁতের আশপাশে ব্রাশ করুন।

#### দাঁতের ওপরের অংশ

পেছনের দাঁতের ওপর-নিচ সবখানে ব্রাশ করুন।

#### দাঁতের বাইরের অংশ

এক প্রান্ত থেকে শুরু করে অপর প্রান্ত পর্যন্ত অথবা ওপর থেকে নিচের দিকে ব্রাশ করুন। ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করতে এক থেকে দুই মিনিট সময় নিন।

অল্প পরিমাণে ফ্লুরাইড টুথপেস্ট ব্যবহার করুন এবং একটি ছোট ও নরম ব্রাশ বেছে নিন।

শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সঠিক নিয়মে ব্রাশ করা শেখানো অভিভাবকের দায়িত্ব। দাঁতের সুস্বাস্থ্যের জন্য শিশুদের মাছের কাঁটা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

কাজু বাদাম খাওয়ার ৫টি উপকারিতা

nut

বেশিরভাগ মানুষই কাজু বাদাম খেতে পছন্দ করে। আমাদের শরীরের স্বাভাবিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং মিনারেলে সমৃদ্ধ কাজু বাদাম। কাজু বাদাম ব্রাজিলে উৎপন্ন হত।

পর্তুগিজরাই এটি সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দেয় এবং ১৬শ শতকে ভারতীয় উপমহাদেশে নিয়ে আসে। কিডনি বা শিমের বীচির আকৃতির কাজু বাদামের প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। আজ সেই উপকারিতাগুলো সম্পর্কেই জেনে নিই চলুন।

১। হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে

কাজু বাদামে ভালো ফ্যাট থাকে এবং এতে কোন কোলেস্টেরল থাকেনা। খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা কমতে সাহায্য করে কাজু বাদাম। অনেকেই মনে করে থাকে চর্বি গ্রহণ বাদ দেয়াটা শরীরের জন্য ভালো, কিন্তু এই কথাটি আসলে সত্যি নয়।

সুস্থ দেহের জন্য খাদ্যের সকল ধরণের গ্রুপ থেকেই এমনকি ফ্যাট থেকেও পুষ্টি উপাদান প্রয়োজন। ভালো উৎস থেকে তা গ্রহণ করতে হবে যেমন- কাজু বাদাম। তাছাড়া কাজুতে অলেইক এসিড থাকে যা হার্টের জন্য অনেক উপকারি।

২। শক্তিশালী হতে সাহায্য করে

কাজু বাদাম ম্যাগনেসিয়ামে সমৃদ্ধ যা শক্ত হাড়ের জন্য, মাংসপেশী ও স্নায়ুর সঠিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয়। আমাদের শরীরে দৈনিক ৩০০-৭৫০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন হাড়ের মধ্যে ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য।

৩। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

এই বাদামটিতে সোডিয়াম কম থাকে এবং পটাসিয়াম বেশি থাকে। যার ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

৪। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

কাজু বাদামে সেলেনিয়াম থাকে এবং ভিটামিন ই থাকে যা ফ্রি র‍্যাডিকেলের জারণ প্রতিরোধ করে। যার ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কাজুতে প্রচুর জিংক থাকে বলে ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে।

৫। শরীরের বিভিন্ন কাজের প্রধান ভূমিকা পালন করে

যেহেতু কাজুতে উচ্চমাত্রার কপার থাকে তাই এনজাইমের কাজে, হরমোনের উৎপাদনে এবং মস্তিস্কের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও লাল রক্ত কণিকার উতপাদনেও সাহায্য করে বলে অ্যানেমিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।

যেহেতু কাজুতে উচ্চমাত্রার ক্যালোরি থাকে তাই দৈনিক ৫-১০ টা কাজু বাদাম খাওয়াই যথেষ্ট। যাদের অ্যালার্জির সমস্যা আছে এবং মাইগ্রেনের সমস্যা হয় যাদের তাদের না খাওয়াই ভালো। বিভিন্ন ধরণের কাজু বাদাম পাওয়া যায় যেমন- লবণাক্ত, সিদ্ধ বা মশলাযুক্ত। হাইপারটেনশনের রোগীদের সল্টেড কাজু না খাওয়া ভালো।

খেজুর খাওয়ার ৮টি উপকারিতা

date

আমারা সাধারণত মনে করি মিষ্টি যেকোন খাবার স্বাস্থ্যকর নয়। কিন্তু খেজুর এমন একটি শুকনো, মিষ্টি ফল যা আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। খেজুরের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর বলে খেজুর খাওয়া ভালো, বিশেষ করে শীতের দিনে।

খেজুরে  অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান যেমন- ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ন্যাচারাল গ্লুকোজ এবং ফাইবার থাকে যা শরীরকে উষ্ণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয়। খেজুর খেলে প্রচুর শক্তি পাওয়া যায় বলে মুসলিম সম্প্রদায় ইফতারের সময় খেজুর খায়। শীতের সময়েও কেন খেজুর খাবেন সে কারণগুলো জেনে নিই চলুন।

১। উষ্ণতা প্রদান করে

খেজুর ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার, ভিটামিন ও ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস। এটি শরীরকে উষ্ণ থাকতে সাহায্য করে বলে শীতের সময়ে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

২। ঠান্ডা নিরাময়ে সাহায্য করে

যদি আপনি ঠান্ডার সমস্যায় ভোগেন তাহলে ২-৩ টি খেজুর, কয়েকটি গোলমরিচ এবং ১-২ টি এলাচ পানিতে দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই দ্রবণটি পান করুন। এটি ঠান্ডা নিরাময়ে সাহায্য করবে।

৩। অ্যাজমা ভালো করে

অ্যাজমা এমন একটি স্বাস্থ্য সমস্যা যা শীতের সময়ে বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় ১-২ টি খেজুর খেলে অ্যাজমা সমস্যা বৃদ্ধি পায় না।

৪। শক্তি বৃদ্ধি করে

খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি থাকে বলে তাৎক্ষণিকভাবে পেতে সাহায্য করে। যখনই আপনার শক্তি বৃদ্ধি করার প্রয়োজন হবে তখনই কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিতে পারেন।

৫। কোষ্ঠকাঠিন্য

খেজুর ফাইবারে সমৃদ্ধ। একগ্লাস পানিতে কয়েকটি খেজুর ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে ভেজানো খেজুরগুলোকে পিষে নিন এবং এই সিরাপটি খালি পেটে পান করুন। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করবে।

৬। হৃদপিন্ডের জন্য ভালো

খেজুর ফাইবারে সমৃদ্ধ বলে হৃদপিন্ডকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। এটি হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে থাকতে সাহায্য করে বলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি প্রতিরোধ হয়, বিশেষ করে শীতের সময়ে।

৭। আরথ্রাইটিসের জন্য ভালো

খেজুরে প্রদাহরোধী উপাদান আছে। এজন্য খেজুর খেলে আরথ্রাইটিসের ব্যথা কমে যা শীতের সময়ে খুব সাধারণ একটি বিষয়। তাই প্রতিদিন কয়েকটি খেজুর খেতে পারেন।

৮। ব্লাড প্রেশার কমায়

খেজুর ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ, এই দুটি উপাদান রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন ৫-৬টি খেজুর খেতে পারেন।

ফুলকপির অসাধারণ উপকারিতা!!!

flower

ফুলকপি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর সবজিগুলোর একটি যা ক্রুসিফেরি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। এতে পানির পরিমাণ থাকে ৮৫% এবং খুব অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে।  কিন্তু এতে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্য ফাইটোকেমিক্যাল ও থাকে। এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। এই বহুমুখী গুণ সম্পন্ন সবজিটি কাঁচা, সেদ্ধ বা রান্না করেও খাওয়া যায়। চলুন জেনে নিই ফুলকপির চমৎকার কিছু উপকারিতার বিষয়ে।

১। হৃদ-স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে

ফুলকপিতে সালফারের যৌগ সালফোরাফেন থাকে যা ব্লাড প্রেশারের উন্নতিতে সাহায্য করে। গবেষণা মতে সালফোরাফেন ডিএনএ এর মিথাইলেশনের সাথে সম্পর্কিত যা কোষের স্বাভাবিক কাজের জন্য এবং জিনের সঠিক প্রকাশের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, বিশেষ করে ধমনীর ভেতরের প্রাচীরের। সালফোরাফেন ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষ ধ্বংস করতে পারে এবং টিউমারের বৃদ্ধিকে বাঁধা দেয়। অন্য এক গবেষণায় জানা যায় যে, ফুলকপির সাথে হলুদ যোগ করে গ্রহণ করলে প্রোস্টেট ক্যান্সার নিরাময়ে ও প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

২। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়

ফুলকপিতে আরেকটি উপকারী যৌগ কোলাইন থাকে। কোলাইন একটি বি ভিটামিন। এটি মস্তিষ্কের উন্নয়নে সাহায্য করে। প্রেগনেন্সির সময়ে ফুলকপি গ্রহণ করলে ভ্রূণের মস্তিষ্কের গঠনে সাহায্য করে। গবেষণায় নির্দেশ করা হয়েছে যে, জ্ঞানীয় কাজের, শিক্ষার এবং স্মৃতির উন্নয়নে সাহায্য করে কোলাইন।

৩। শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে

ফুলকপির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান শরীর পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে গ্লুকোসাইনোলেটস থাকে যা এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং ডিটক্স হতে সাহায্য করে।

৪। প্রদাহ কমায়

ফুলকপিতে ইন্ডোল ৩ কার্বিনোল বা I3C থাকে যা একটি অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান।এটি শক্তিশালী ইনফ্লামেটরি রিঅ্যাকশন প্রতিরোধ করে।

৫। হজমের উন্নতি ঘটায়

যেহেতু ফুলকপি ফাইবারের গুরুত্বপূর্ণ উৎস সেহেতু এটি হজমের উন্নতিতে সাহায্য করে। ওয়ার্ল্ডস হেলদিয়েস্ট ফুডস এর মতে, ফুলকপি পাকস্থলীর প্রাচীরের সুরক্ষায় সাহায্য করে। ফুলকপির সালফোরাফেন পাকস্থলীর হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে এবং পাকস্থলীর প্রাচীরে এর আবদ্ধ হওয়াকে প্রতিহত করে।

৬। ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ

ফুলকপিতে ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক এসিড সহ আরো অনেক উপাদান থাকে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতির হাত থেকে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। এগুলো বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে এবং টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি হওয়া প্রতিহত করে।

গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন যত্ন (তৃতীয় খণ্ড)

pregnancy-mother3rd

আমাদের তৃতীয় খণ্ডে রয়েছে গর্ভবতী মায়েদের নিয়ে সচরাচর প্রশ্ন জিজ্ঞাসা।

 

প্রশ্নঃ গর্ভবতী মায়ের লক্ষণ গুলো কি কি?

উত্তরঃ

  • মাসিক বন্ধ থাকা
  • বমি বমি ভাব
  • স্তনে ব্যথা

প্রশ্নঃ গর্ভকালীন প্রয়োজনীয় ৪ টি ব্যবস্থা কি কি?

উত্তরঃ গর্ভকালীন প্রয়োজনীয় ৪ টি ব্যবস্থা হলো

  • প্রসবের জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ধাত্রী বা স্বাস্থ্য সেবা দানকারীকে আগে ঠিক করে রাখতে হবে।
  • প্রসব কালীন ও প্রসবোত্তর সময়ে বাড়তি খরচ এবং জরুরী ব্যবস্থা আগে ঠিক করে রাখতে হবে।
  • প্রসবকালে গর্ভবতী মায়ের অতিরিক্ত রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। তাই গর্ভবতী মায়ের রক্তের গ্রুপে মিল আছে এমন তিন জন সুস্থ্য ব্যক্তিকে রক্ত দানের জন্য আগে ঠিক করে রাখতে হবে এবং
  • গর্ভকালীন কোন রকম জটিলতা দেখা দিলে তাকে দ্রুত হাসপাতলে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য যানবাহন চালকের (ভ্যানগাড়ির চালক বা নৌকার মাঝি) সাথে আগে থেকে কথা বলে রাখতে হবে।

প্রশ্নঃ গর্ভাবস্থায় ও প্রসবের সময় বিপদ চিহ্ন কয়টি ও কি কি?

উত্তরঃ গর্ভাবস্থায় ও প্রসবের সময় বিপদ চিহ্ন ৫টি। এই ৫টি বিপদ চিহ্ন হলো

  • গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পর বেশি রক্তস্রাব।
  • গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পর বেশি খিচুনী।
  • শরীরে পানি আসা, খুব বেশি মাথা ব্যাথা ও চোখে ঝাপসা দেখা।
  • তিন দিনের বেশি ভীষণ জ্বর এবং
  • বিলম্বিত প্রসব, ১২ ঘন্টার বেশি প্রসব ব্যাথা ও প্রসবের সময় বাচ্চার মাথা ছাড়া অন্য কোন অঙ্গ প্রথমে বের হওয়া।

প্রশ্নঃ গর্ভাবস্থায় ঔষধ সেবনে কোন বিধি নিষেধ আছে কি?

উত্তরঃ গর্ভকালীন সময়ে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ খাওয়া উচিৎ না। অপ্রয়োজনীয় কোন ঔষুধ একদম খাওয়া ঠিক না।

 

##গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন যত্ন (প্রথম খণ্ড)

##গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন যত্ন (দ্বিতীয় খণ্ড)

গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন যত্ন (দ্বিতীয় খণ্ড)

pregnancy-mother2nd
গর্ভবতী অবস্থায় যা করা যাবে না

  • গৃহস্থালীর কঠিন কাজ যেমন-ধান মাড়াই, ধান ভানা, ঢেঁকিতে চাপা ইত্যাদি
  • ভারী কোন কিছু তোলা
  • দূরে যাতায়াত করা এবং ভারী কিছু বহন করা
  • শরীরে ঝাঁকি লাগে এমন কাজ করা
  • দীর্ঘ সময় কোন কাজে লিপ্ত থাকা
  • ঝগড়া ঝাটি এবং ধমক দেয়া
  • জর্দা, সাদা পাতা খাওয়া
  • তামাক, গুল ব্যবহার করা
  • ধূমপান বা অন্য কোন নেশা জাতীয় দ্রব্য গ্রহণ করা
  • স্বাস্থ্য কর্মী বা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ গ্রহণ করা

গর্ভবতী অবস্থায় করণীয়

  • গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্য সেবাদানকারীর দ্বারা কমপক্ষে ৩ বার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।
  • গর্ভাবস্থায় ২টি টিটি টিকা নিতে হবে।
  • দৈনিক স্বাভাবিকের চেয়ে সাধ্যমত বেশি খাবার খেতে হবে।
  • গর্ভবতী মহিলাকে নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে।
  • গর্ভবতী মহিলাকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। তাকে নিয়মিত গোসলও করতে হবে।
  • দুপুরের খাবারের পর কমপক্ষে ১-২ ঘন্টা বিশ্রাম নিতে হবে।

গর্ভকালীন প্রয়োজনীয় ০৪ টি ব্যবস্থা

  • প্রসবের জন্য প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ধাত্রী বা স্বাস্থ্য সেবা দানকারীকে আগে ঠিক করে রাখতে হবে।
  • প্রসবকালীন ও প্রসবোত্তর সময়ে বাড়তি খরচ এবং জরুরী ব্যবস্থা আগে ঠিক করে রাখতে হবে।
  • প্রসবকালে গর্ভবতী মায়ের অতিরিক্ত রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। তাই গর্ভবতী মায়ের রক্তের গ্রুপে মিল আছে এমন তিন জন সুস্থ্য ব্যক্তিকে রক্ত দানের জন্য আগে ঠিক করে রাখতে হবে এবং
  • গর্ভকালীন কোন রকম জটিলতা দেখা দিলে তাকে দ্রুত হাসপাতলে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য যানবাহন চালকের (ভ্যানগাড়ির চালক বা নৌকার মাঝি) সাথে আগে থেকে কথা বলে রাখতে হবে।

গর্ভাবস্থায় ও প্রসবের সময় ৫ টি বিপদ চিহ্ন

গর্ভকালীন জটিলতার ফলে মা ও শিশু উভয়ের জীবনের ঝুকি দেখা দেয়। ৫ টি বিপদ চিহ্নের মাধ্যমে এসব জটিলতা ধরা যায়। এরকম অবস্থায় মায়েদের জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। এই ৫টি বিপদ চিহ্ন হলোঃ

  • গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পর খুব বেশি রক্তস্রাব, গর্ভফুল না পড়া
  • গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর তিনদিনের বেশি জ্বর বা দুর্গন্ধ যুক্ত স্রাব
  • গর্ভাবস্থায়, প্রসবকালে ও প্রসবের পরে শরীরে পানি আসা, খুব বেশি মাথা ব্যাথা, চোখে ঝাপসা দেখা
  • গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পরে খিঁচুনী
  • প্রসব ব্যথা ১২ ঘন্টার বেশি থাকা ও প্রসবের সময় বাচ্চার মাথা ছাড়া অন্য কোন অঙ্গ প্রথমে বের হওয়া।

মনে রাখতে হবে : এর যে কোন একটির জটিল অবস্থা দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে

স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গর্ভকালীন কি কি সেবা দেয়া হয়

  • টিটি টিকা দেয়া হয়
  • ওজন নেয়া
  • স্বাস্থ্য শিক্ষা দেয়া
  • রক্তস্বল্পতা বা শরীরে রক্ত কম কি-না তা পরীক্ষা করা
  • রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা
  • পা অথবা মুখ ফোলা (পানি আছে কিনা ) আছে কি-না দেখা
  • শারীরিক অসুবিধা আছে কি-না তা পরীক্ষা করা
  • পেট পরীক্ষা করা
  • উচ্চতা মাপা

চিকিৎসা ও সেবা প্রদানের স্থান

গর্ভকালীন অবস্থায় কোন জটিলতা দেখা দিলে সাথে সাথে গর্ভবতী মাকে নিম্নের সেবাদান কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে

  • ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র
  • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
  • জেলা হাসপাতাল
  • মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

 

##গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন যত্ন (প্রথম খণ্ড)

##গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন যত্ন (তৃতীয় খণ্ড)

 

 

গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন যত্ন (প্রথম খণ্ড)

pregnancy-mother

গর্ভকালীন যত্ন

গর্ভকালীন যত্ন কনটেন্টটিতে গর্ভবতী মায়ের লক্ষণ, গর্ভকালীন যত্ন, গর্ভকালীন যত্নের উদ্দেশ্য, গর্ভকালীন যত্নের কার্যাবলী, বাড়িতে কীভাবে গর্ভবতীর যত্ন নেয়া যায়, গর্ভবতীর খাবার, গর্ভবতী অবস্থায় করণীয়, গর্ভবতী অবস্থায় যা করা যাবে না, গর্ভকালীন প্রয়োজনীয় ৪ টি ব্যবস্থা, গর্ভাবস্থায় ও প্রসবের সময় ৫ টি বিপদ চিহ্ন, স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গর্ভকালীন কি কি সেবা দেয়া হয়, চিকিৎসা ও সেবা প্রদানের স্থান এসব বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।

গর্ভকালীন সময়ে মায়ের চাই বিশেষ যত্ন। মহিলাদের গর্ভধারনের পূর্বেই নিজের স্বাস্থ্য, গর্ভধারণ ও সন্তান পালন সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতন হওয়া দরকার। কারণ একজন সুস্থ্য মা-ই পারে একটি সু্স্থ ও স্বাভাবিক শিশুর জন্ম দিতে। তাই গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা। গর্ভকালীন যত্ন বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করতে পারে।

গর্ভবতী মায়ের লক্ষণ

  • মাসিক বন্ধ থাকা
  • বমি বমি ভাব
  • স্তনে ব্যথা

গর্ভকালীন যত্ন

সমগ্র গর্ভকালীন সময়ে অর্থাৎ ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়া থেকে শুরু করে ৯ মাস ৭ দিন ব্যাপী মাঝখানে গর্ভবতী মা ও তার পেটের সন্তানের যত্ন নেওয়াকে গর্ভকালীন যত্ন বলা হয়। নিয়মিত পরীক্ষা এবং উপদেশ প্রদানের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হয়। সমগ্র গর্ভকালীন সময়ে কম পক্ষে ৪ বার পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

যেমন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী

  • ১ম ভিজিটঃ ১৬ সপ্তাহ (৪ মাস)
  • ২য় ভিজিটঃ ২৪-২৮ সপ্তাহ (৬-৭ মাস)
  • ৩য় ভিজিটঃ ৩২ সপ্তাহ ( ৮ মাস)
  • ৪ র্থ ভিজিটঃ ৩৬ সপ্তাহ ( ৯ মাস)

গর্ভকালীন যত্নের কার্যাবলী

  • মায়ের কোন অসুখ থাকলে তা নির্ণয় করা এবং তার চিকিৎসা করা যেমন-গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ, প্রি-একলাম্পশিয়া বা একলাম্পশিয়া এবং বাঁধাপ্রাপ্ত প্রসবের পূর্ব ইতিহাস।
  • মা যাতে গর্ভকালীন সময়ে নিজের যত্ন নিতে পারেন, আসন্ন প্রসবের জন্য নিজে তৈরী হতে পারেন এবং নবজাত শিশুর যত্ন নিতে পারেন তার শিক্ষা দেয়া।
  • গর্ভাবস্থায় জটিল উপসর্গগুলি নির্ণয় করা। এর ব্যবস্থাপনা করা যেমন- রক্ত স্বল্পতা, প্রি-একলাম্পশিয়া ইত্যাদি।
  • ঝুকিপূর্ণ গর্ভ সনাক্ত করা।
  • উপদেশের মাধ্যমে মাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করা, রক্তস্বল্পতা, ম্যালেরিয়া এবং ধনুষ্টংকারের প্রতিরোধক ব্যবস্থা নেয়া।
  • নিরাপদ প্রসব বাড়ীতে না স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোথায় সম্ভব হবে তা নির্বাচন করা।
  • প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মীর ব্যবস্থা করা।
  • সকল গর্ভবতী মায়ের রেজিষ্ট্রেশন করা।

গর্ভকালীন যত্নের উদ্দেশ্য

গর্ভকালীন যত্নের প্রধান উদ্দেশ্য হলো গর্ভবতী মাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থতার মাঝে তৈরী করে তোলা যাতে তার প্রসব স্বাভাবিক হয়, তিনি যেন একটি স্বাভাবিক সুস্থ শিশু জন্ম দেন, সন্তানকে বুকের দুধ দিতে পারেন এবং সন্তোষজনকভাবে তার এবং শিশুর যত্ন নিতে পারেন।

বাড়িতে কিভাবে গর্ভবতীর যত্ন নেয়া যায়

  • সকল গর্ভবতীকে হাসি খুশি রাখা
  • গর্ভবতী মাকে একটু বেশী খেতে দেয়া
  • খাবার যাতে সুষম হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখা
  • বেশী করে পানি খেতে বলা
  • পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মাধ্যমে সহায়তা দেয়া
  • পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে বলা
  • তাকে মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখা
  • গর্ভবতী মা অসু্‌স্থ হলে তাড়াতাড়ি স্বাস্থ্য কর্মী বা ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া

গর্ভবতী মায়ের খাবারের তালিকা

শক্তিদায়ক খাবারঃ 

  • ভাত, রুটি/পরাটা, আলু, চিনি, গুড়, সুজি
  • সয়াবিন তেল, বাদাম, কলিজা
  • ঘি/মাখন, ডিমের কুসুম ইত্যাদি

শক্তি ক্ষয়পূরণ এবং নবজাতকের শরীর বৃদ্ধিকারক খাবারঃ

  • মাছ, মাংস, দুধ, ডিমের সাদা অংশ
  • বিভিন্ন ধরনের ডাল, মটরশুটি, সীমের বীচি ইত্যাদি

শক্তি রোগ প্রতিরোধক খাবারঃ

  • সবুজ, হলুদ ও অন্যান্য রঙ্গিন শাক-সবজি
  • সবধরনের মৌসুমী ফল-মূল

গর্ভবতী মা কি খাবেন এবং কি পরিমাণ খাবেন

  • প্রতিদিন তিন ধরণের খাবারের তালিকা থেকেই কিছু কিছু খাবার খেতে হবে।
  • প্রতিবেলায় স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশী খেতে হবে।
  • গভর্বতী মাকে বেশী করে পানি খেতে হবে
  • আয়োডিনযুক্ত লবণ তরকারীর সাথে খেতে হবে। তবে অতিরক্ত লবণ খাওয়া যাবে না।

##গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন যত্ন (দ্বিতীয় খণ্ড)

##গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন যত্ন (তৃতীয় খণ্ড)

 

বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে যে সকল ফার্মেসি

pharmacy

ফার্মেসি স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা যা মূলত রসায়নের সাথে জীব বিজ্ঞানের একটি যোগসূত্র হিসাবে কাজ করে। বাংলাদেশে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি পড়ানো হচ্ছে; যদিও এ দেশে ডাক্তাররা সরাসরি ঔষধ লিখে দেন। এমনকি যেকোনো ঔষধালয় থেকে যে কোন সাধারণ নাগরিক এন্টিবায়োটিকের মত ঔষধ বিনা কোন প্রেসক্রিপসনে নিয়ে আসতে পারেন। একারণে বাংলাদেশে ফার্মাসিস্ট দের তেমন কোন মূল্যায়ন নেই; যার ফলশ্রুতিতে এখন ফার্মেসি বলতে ঔষধালয়কেই বুঝানো হয়। বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে যে সকল ফার্মেসি তাদের তালিকা।

প্রথম তালিকাঃ

24 Hours Pharmacy House #14/E, Road #6, Dhanmondi, Dhaka-1205. 9670397, 01716-089305
Bhishmillah Pharma 1/7, College Gate, Mirpur Road, Dhaka-1207. 011-119526
Dhaka Pharmacy 2/1, Humayun Road, College Gate, Dhaka. 01714-090025, 01712-587110, 01716-510526.
Islam Pharma 22/1, Babor Road (College Gate), Mohammadpur, Dhaka-1207. 8114482, Mobile : 01713-510828, 01711-246860.
M/S Haque Medical Hall Shop #8, Plot #1/7 & 1/8 Mirpur Road, Mohammadpur, Dhaka-1207. 01712-532883
M/S. Ramna Pharmacy & General Store 20 Shaheed journalist Selina Parveen Road, Wireless More, Dhaka-1217. 9357112, 0187-565139
Madina Pharmacy 4, Adorsho Chayanir, Adabar More, Ring Road, Shamoly, Dhaka-1207. 8142075, 0152-442761.
MEDICINE CORNER 2/1,Hunayun Road, College Gate, Dhaka-1207. 8113833, 8121816, 01714-024441
Onurag Pharma 1, Babor Road, (Mirpur Road) College Gate, Dhaka-1207. 8130211
Surgical Centre 1/7, College Gate Mirpur Road, Dhaka-1207. 8117416
Tareq Medical Hall 2/1, Humayun Road, (Mirpur Road), College Gate, Dhaka-1207. 01716-588892
Tawsif Pharma 122 Kakril Road, Shantinagar, Dhaka-1000. 9358386, 0189-468973
Yean Pharma House #20, Road #1, Mohammadia Housing Ltd. Mohammadpur, Dhaka-1207. 01710-298517
Saleha Pharmacy Cha-32/5, Mohakhali T.V. Gate, Gulshan, Dhaka-1212. 9890657, 0189-001296

দ্বিতীয় তালিকাঃ

Al-Helal Medicine Corner
150, Rokeya Sarani, Senpara Porbata, Section 10, Mirpur, Dhaka
Tel: +880-2-9006820, +880-2-9008181 Ext 108

Al – Sami Hospital With 24 our Pharmacy
South Badda, Dhaka

Aysha Memorial Speciallised Hospital, Pharmacy
74/G, Peacock Square, New Airport Road, Mohakhali, Dhaka-1215
Tel: +880-2-9122689-90, +880-2-8142370-71, +8801919-372647

24-hours Pharmacy
Plot 14/E, Road 6, Gonoshastaya Nagar Hospital Bhaban, Dhanmondi, Dhaka
Tel: +880-2-9670397, +880-2-9673512, +880-2-9673507

Badda General Hospital With 24 Hour Pharmacy
Cha-107/2, North Badda, Progati Sharoni, Dhaka-1212
Tel: +880-2-8857828-30

Bismillah Pharma
1/7, College Gate, Mirpur Road, Dhaka-1207
Tel: +88011-119526

Care Land Pharmacy
259 Khilgoan,Block # C, Dhaka
Tel: +8801727-656237

C.C.D.C Pharmacy
KA-90, Progati Shoroni Biswa Road,Kuril, Dhaka
Tel: +8801727-656237

Central Pharma
Central Hospital Compound, House # 2, Road # 5, Green Road, Dhaka
Tel: +880-2-9660015-18

Chawa Pawa Pharmacy
Plot M-1/C, Section 14, Mirpur, Dhaka
Tel: +880-2-8113010, +880-2-8118522

Day Night Pharmacy
1/2,Secraterriat Road, Emergency Gate, Dhaka Medical College, Dhaka
Tel: +880-2-8624958, +8801711-234243, +8801712-967130, +8801726-073000

Dhaka Pharmacy
2/1, Humayun Road, College Gate, Dhaka
Tel: +8801714-090025, +8801712-587110, +8801716-510526

Dogma Diagoanstic Hospital, Pharmacy
Cha – 88/1, Bir Uttom Rafiqul Islam Aveniu, North Badda, Dhaka – 1212
Tel: +880-2-9884346, +880-2-8835485, +8801921-088076

D.S. Pharmacy
1/2, Secraterriat Road, Emergency Gate, Dhaka Medical College, Dhaka
Tel: +880-2-8622982, +8801819-116527

Gazi Medical Hall
House # 31, Road # 6, Dhanmondi, Dhaka
Tel: +880-2-8612412, +880-2-8619068

Green Eye Pharmacy
House # 31, Road # 6, Dhanmondi, Dhaka
Tel: +880-2-8612412, +880-2-8619068

Health Care Center
House # 133, Road # 12, Block # E, Banani, Dhaka
Tel: +880-2-9897722, +880-2-8833389

Islam Pharma
22/1, Babor Road (College Gate), Mohammadpur, Dhaka-1207
Tel: +880-2-8114482, +8801713-510828, +8801711-246860

K.M.A.Vasani Hospital & Pharmacy
KA-86/1-A, Kuril Kuratali, Dhaka
Tel: +880-2-8416004, +8801811-835363

Lazz Pharma
64/3 Lake Circus, Kalabagan, Mirpur Road, Dhaka
Tel: +880-2-9110864, +880-2-9117839, +880-2-9111842

Madina Pharmacy
4, Adorsho Chayanir, Adabar More, Ring Road, Shamoly, Dhaka-1207
Tel: +880-2-8142075, +880152-442761

MEDICINE CORNER
2/1, Hunayun Road, College Gate, Dhaka-1207
Tel: +880-2-8113833, +880-2-8121816, +8801714-024441

Metropolitan Medical Center Ltd.
Mohakhali, Dhaka – 1212
Tel: +880-2-9899209, +880-2-9897933

M/S Haque Medical Hall
Shop #8, Plot #1/7 & 1/8 Mirpur Road, Mohammadpur, Dhaka-1207
Tel: +8801712-532883

M/S. Ramna Pharmacy & General Store
20 Shaheed journalist Selina Parveen Road, Wireless More, Dhaka-1217
Tel: +880-2-9357112, +880187-565139

Multi Pharma Limited
136, Elephant Road, Dhaka
Tel: +880-2-8617844

Nahjiba Pharma
6-74, Hoshen Market South Badda, Dhaka
Niramoy Drug House
6-107, North Badda,Dhaka

Onurag Pharma
1, Babor Road, (Mirpur Road) College Gate, Dhaka-1207
Tel: +880-2-8130211

Panjery Hospital, Pharmacy
Kha – 11/1, Shajadpur Busstand, Progati Sharani, Dhaka – 1212
Tel: +8801678-074437, +8801727-360727

Popular Pharmacy 24 Hour
T-143, Middle Badda, Dhaka
Tel: +8801921-575942

Prescription Aid
House 82, Road 11, Block D, Banani, Dhaka-1213
Tel: +880-2-9110864, +880-2-9117839, +880-2-9111842

QPS Comprehensive Health Care
14/A, Port Connecting Road, Block G, Halishahar H/E, Chittagong
Tel: +880-31-2513522

Rafa Medical
Insurance Academy Bhaban (1st Floor), 53, Mohakhali TB Gate, Dhaka-1212
Tel: +880-2-9861111, +8801675-955707, +8801975-090807

Reliance Medical
Insurance Academy Bhaban (1st Floor), 53, Mohakhali TB Gate, Dhaka-1212
Tel: +880-2-9887366, +880-2-9887469

Right Aid Pharmacy
67, Mohakhali C/A, Dhaka
Tel: +8801814853055

Saleha Pharmacy
Cha-32/5, Mohakhali T.V. Gate, Gulshan, Dhaka-1212
Tel: +880-2-9890657, +880189-001296

Shahabuddin Medical College Hospital, Pharmacy
R # 113/A, H # 12, Gulshan – 2, Dhaka
Tel: +880-2-9862593-4, +8801716-777790-1, +8801919-777790-1

Shahjalal Pharmacy
1/2,Secraterriat Road, Emergency Gate, Dhaka Medical College, Dhaka
Tel: +880-2-8622107

Shasto Sheba Clinic, Pharmacy
361/1,D.I.T, Road, East Rampura, Dhaka
Tel: +8801719-763094, +8801749-032599

Shikder Women’s Medical College, Pharmacy
H # 5, R # 104, Gulshan – 2, Dhaka
Tel: +880-2-9887458, +880-2-8815363

Shifa Pharmacy
Alam Market, Gulshan-2, Dhaka
Tel: +880-2-9880820

Surgical Centre
1/7, College Gate Mirpur Road, Dhaka-1207
Tel: +880-2-8117416

Taj Drug House
Hazi Abul Ali Medicine Market, 2/1, Gopinath Dutta Kobiraj Street, Near Sardar Medicine Market, East Gate, Babubazar, Mitford, Dhaka-1100
Tel: +8801716-718140

Tareq Medical Hall
2/1, Humayun Road, (Mirpur Road), College Gate, Dhaka-1207
Tel: +8801716-588892

Tawsif Pharma
122, Kakril Road, Shantinagar, Dhaka-1000
Tel: +880-2-9358386, +8801819-468973

Uposhom Health Care With 24 Hour Pharmacy
6-107/1, North Badda, Dhaka
Tel: +880-2-8815690, +880-2-9887597, +8801713-444100

সকল তথ্য-উপাত্ত  “গুগল” থেকে সংরক্ষিত!!!

বাংলাদেশের সকল Blood Bank এর ঠিকানা এবং ফোন নাম্বার।

090218-N-6326B-074 SAN DIEGO  (Feb. 17, 2009) The Naval Medical Center San Diego (NMCSD) Blood Bank confirms the blood type of each blood product donated to ensure patients receive the correct specimen. This protects the patients from potentially serious reactions. All blood products in the NMCSD Blood Bank are screened for diseases. Blood type is confirmed before being stored, shipped, or used in patients. (U.S. Navy photo by Mass Communication Specialist 3rd Class Jake Berenguer/Released)

1.Quantum Blood Bank Lab:

Address: 31/V Shilpacharya Zainul Abedin Sarak, Shantinagar, Dhaka 1217

Phone: 02-9351365

Mobile: 8801714-010869

Websitequantum method

2. Bangladesh Red Crescent Blood Bank

7/5, Aurongzeb Road, Mohammadpur, Dhaka.

Contact No.: +880-02-9116563, +880-02-8121497, +880-02-9139940

Website: Bangladesh Red Crescent

3. Alif Blood Bank & Transfusion Center

44/11, West Panthapath (2nd Floor), Opposite of Shamrita Hospital, Dhaka 1215

Mobile Phone: 001716-121544, 01922-551550

4. Badhan Blood Bank

Central Office, T.S.C(Ground Floor), University of Dhaka, Dhaka-1000
02-8629042

Mobile No: 01534982674

Website: www.badhan.org

5. Thalassemia Blood Bank

Address: 30 Chamelibag, 1st Lane, Dhaka 1217

Phone:02-8332481

Website: thals.org

6. Sandhani (Central)

Sandhani Central. Room 35, Tinshed Outdoor building BSMMU, Shahabag, Dhaka – 1000
Contact No. : 880-2-8621658, Fax: 880-2-8620378
Email: central@sandhani.org
Web: sandhani.org

Sandhani (DMC)

Address : Dhaka Medical College Unit, Dhaka.

Contact No. : +880-2-9668609, +880-2-9668690, +880-2-8616744, +880-2-9663429,

Mobile: 01819-284878.

7. Police Blood Bank

Central Police Hospital, Rajarbag, Dhaka.

Phone : 9362573

Mobile : 01713-398386

Web : policebloodbank.gov.bd

8. Oriental Blood bank

Green Center, 2B/30, Green Road, Dhanmondi, Dhaka

Mobile No: 01812700053

9. Mukti Blood Bank & Pathology Lab

Address: 54 (1st Floor), Bir-uttuam A.M. Shafiullah Road, Free School Street, Dhaka-1207

Phone: +880 2-8624249

10. Islami Bank Hospital Blood Bank

Dhaka, Bangladesh
Contact No: 02-8317090, 8321495

>>>>>>>>>>>>>XXXXX<<<<<<<<<<<<<<<

Website: Blood Donors Club
Android apps: Blood Donation
Facebook Groups: Positive bangladesh blood donors (facebook login)
Facebook Groups: রক্ত দিন, জীবন বাঁচান (facebook login)

সকল তথ্য-উপাত্ত  “গুগল” থেকে সংরক্ষিত!!!

Copy Protected by Chetan's WP-Copyprotect.